যাক কাগজ পত্র ফাইনাললি ওক্কে করানের পরের দিন একদম সক্কাল বেলা যাইয়া গেটের বাইরে লাইনে দাড়াইলাম তাও লম্বা লাইন 😦

৯টার সময় গেট খুললে ফাইনাল লাইনে যাইয়া দাড়াইলাম আমার সামনে ১০-১৫ জন লেডিজ গো লাইগা আলাদা লাইন আমার লাইনের পাবলিকের মধ্যে অনেকরেই দেখা গেল, আগের কোনো কামই করে নাই; আইসা এই লাইনে দাড়াইয়া রইছে হায়রে বাঙাল এক আনসারে আইয়া হেডিরে খেদাইলো

দেখলাম এই ডিজিটাল করনের কামডা আসলে করতাছে বিদিশি এক কোম্পানি অফিসের বাইরে যে উস্তাদি করতাছিল, মাইনে লাইন ঠিক করন, টুকেন দেওন ইত্যাদি কাম করতাছিলো, হের গলায় ফিতা ঝুলানি দেখলাম বড় কইরা কোম্পানির নাম “IRIS JV” লেখা ২০-২৫ মিনিটের ভিতরে টুকেন দিয়া দিলো; পাইলাম ১৪ নাম্বার কম্পিউটারে ছাপাইন্না টুকেন

সিরিয়াল আইলো পরে ঢুকলাম ভিতরে পুরা এসি; আহ, কইলজা পুরা ঠান্ডা হইয়া গেলো 😀 পরছিলাম এক নাম্বার কাউন্টারে এক জনে খোপের ভিতরে বইয়া আমার ফরম দেইখা দেইখা নাম ঠিকানা সব কম্পিউটারে উঠাইলো; প্রিন্ট কইরা আমারে দেখতে দিলো; সব ঠিক আছে নাকি; দেখলাম; এইবার বায়োলজিকাল ইনফরমেশন রুমে লাইন দিলাম; সেইহানে ছবি তুলন, আঙ্গুলের টিপসই লওন, সাক্ষর লওন এইগুলা করে
এইখানে কুনো তাড়াহুরা নাই সব ধীর স্থিরের কাম বহুত কায়দা কানুন কইরা ছবি তুললো; চশমা পইরা ছবিখান তুলন গেলো না B-(
সাইন লইল মেশিনের উপরে (Digital drawing pad আরকি) সাইন দেওনের সময় একখান জিনিস খেয়াল কইরা; পারলে চোখ বুইজ্যা সাইন দিবেন; নইলে মেশিনের কেরামতি আর আপনের চোখ মিল্যা সাইনের লাইন হইয়া যাইবো আঁকা-বাকা

বাস; টিপসই, আর সাইন দিয়া কাম শ্যাষ ঠিক ৪৫ দিন পর ডেট দিলো আর নয়া পাসপুট আনতে যাওয়ার আগে ফুন কইরা যাইতে কইল
আর আমার পুরান পাসপুট না রাইখা সেই কথা রিসিটে লেইখা দিলো; আর নতুনডা আনতে পুরানডা লগে নিয়া যাইতে কইল রিসিট নিয়া বাইর হইয়া চইলা আসলাম

দেহি, নয়া পাসপুট ঠিক মতো দেয় নাকি ?! বাংলাদেশ বইলা কথা 😉
Advertisements