(এক যুগ আগে) এক রাতে

Leave a comment

ছাদের উপরে সিঙ্গেল খাটে
দু’ চোখে একটু ঘোর,
ঘোরে ঘোরে কেটে সারা এক রাত
কেটে হয়ে গেলো ভোর।

আকাশটা জুড়ে ছেড়াঁ ছেড়াঁ মেঘ
চাঁদ ঢেকে দিতে চায়,
কিন্তু এমন ষোলকলা চাঁদ
মেঘে কি ঢাকতে পায় ?

স্বপ্নের কোন্ দেশে থেকে যেন
বইছে মাতাল হাওয়া,
চেতনের এক গভীর অতলে
নিশ্চুপে ছুয়েঁ যাওয়া।

দুচোখে আমার স্বপ্নের মদ
ঢালে কোন্ অচিন প্রিয়া,
কি যে জুয়া এক খেলতে চায়
ছেঁড়া ছেঁড়া এ মন নিয়া।

আমার উদাস মনটা তখন
শরত্ মেঘের মত,
পেঁজা পেঁজা হয়ে যায় উড়ে যায়
স্বপ্নের দেশ কত।

ছেঁড়া মেঘগুলো যাযাবর যেন
নামতে তারা না পায়,
এতটুকু জায়গা খুজিবার তরে
সমুখ পানেতে ধায়।

সারা শরীরে নেশা ধরে যায়
মৃদু বাতাসের তোড়ে,
চোখ দুটি গাঢ় আবেশিত থাকে
রঙ্গিন স্বপ্ন ঘোরে।

নীল চাঁদোয়ার মাঝখানে ভাসে
ধবল মেঘের ভেলা,
মাঝখানে তারা চাঁদ নিয়ে খেলে
রংবৃত্তের খেলা।

ফ্যাকাশে মেঘের মাঝখানে ভাসে
আলো আলোময় চাঁদ
চাঁদটিকে যেন জরিয়ে রেখেছে
রং বৃত্তের ফাঁদ।

প্রাণমোহিনী একটুকু সুধা
একটু স্বপ্নরস,
অজানার পথে কেমনে করেছে
প্রাণ মন মোর বশ।

ওদিকে আমার নেশাময় মন
অসীমের পানে ধায়,
বুঝেও বুঝতে পারলাম না কেন
কি খোঁজ সে পেতে চায়।

সব হারিয়েও পেতে চায় সে
অমরলোকের স্বাদ,
রাহবার হয়ে এসেছে যেনো এ
আলোক রাতের চাঁদ।

কোন্ সে এক অচিন জগতে
হৃদয় আমার ধায়,
অচেনা এক পরমের রসে
মরম রঙিনে নায়।

সারা দিনমান কত ব্যস্ততা,
নিজকে হারায়ে খুঁজি,
এতটুকু কাল খুঁজিয়া না পাই
পরমের তরে নুজিঁ।

আমারে এখন টেনে নিয়ে যায়
আলোক চাঁদের ফাঁদে,
মনখানি মোর ভাসিয়ে দিলো
আবেশ রাতের স্বাদে।
এটুকুর লাগি সারা দুনিয়া
তারে খুঁজে খুঁজে কাঁদে।

হেনকালে যেন চেতন জুড়িয়া
ভোরের আযান পড়ে,
সারা জীবকূল সাড়া দিয়ে উঠে
মৃদু মৃদু কলে বরে।

এতটুকু রাতই জীবন ব্যপিয়া
জীবন ধন্য করে,
ক্ষুদে এ জীবনে স্মরণে পরিয়া
আবেশে বুকটি ভরে।

— kmonsoor

    রচনা: ৮ ই আগস্ট, ১৯৯৮
নামকরণ: ৮ ই আগস্ট, ২০১০
           @ মুহাম্মদপুর, ঢাকা

————————
কবিতা টা আমার পছন্দের ফর্মায় দেখতে এইরকম:
(এক যুগ আগে) এক রাতে http://d1.scribdassets.com/ScribdViewer.swf?document_id=35525722&access_key=key-o7t5ntcyr3ftoqkn2mb&page=1&viewMode=list

Advertisements

মা রে নিয়া একখান ছড়া : এবং কিছু প্রারম্ভিক প্যাচাল

Leave a comment

মূল বিষয়ববস্তু এইখানে:



মা রে নিয়া ছড়া : কিছু আগলা প্যাচাল
২০০৪ সালের এক রাতে আমার ঘুম আসতেছিলো না এইটা কোনো ঘটনানা
ঘটনা হইলো, কেন আসতেছিলো না? আজাদ গ্রুপ বা অন্য কোনোকোম্পানি একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করছিলো বিষয়: মা দিবসউপলক্ষে ৮ লাইনের একখান ছড়া লেখতে হইবো চিন্তা করলাম,ওক্কে, লিখা ফেলাই একটা; চান্সে যদি কিছু টেকা-পয়সা পাওয়া যায় তো মাথার ভিতরছোট কৈরা একটা লাইন আইসা পরলো, “যখন তুমি থাকবে না, মা” ঠিক করলাম, কালকেলেইখা ফেলামু
রাত ১ টার দিকে গেলাম ঘুমাইতে; শুইয়া শুইয়া মাথার ভিতর ওইপ্রথম লাইনের সাথে তাল মিলাইয়া আরো ৪/৫ টা লাইন আইসা পরলো মগজরে যত কই“ঘুমা !”; মগজ তত ছড়া প্রডাকশনে মন দেয় এই করতে করতেবাজলো “পৌনে ২ টা” মেজাজ পুরা বিলা হইয়া গেলো ছড়ার ***রে ***
বুঝলাম, এই মস্তিস্ক-সন্তান(Brainchild) রে ডেলিভারি(?) নাদেওন পর্যন্ত শান্তি নাই শোয়া থিকা উইঠা লেখা শুরু কইরা দিলাম লেখতে লেখতে লাইনসংখ্যা ৩৫-৪০ পার হইলো
হঠাৎ মনে হইলো, আইচ্ছা, আমিও তো আগে মরতে পারি; বেস্ট-কেসেএকসাথেও তো মরতে পারি (If…else if…else ব্লকের মতো) 😉
সো এই ব্যপারেও তো একটা দিক-নির্দেশনা দেওয়া লাগে নইলে কেমন একটা আধা-খ্যাচড়া ভাব থাকা যাইবো মস্তিস্ক-সন্তানলম্বা হইতে লাগলো; আমি “নীরব-দর্শকের” মতো “লে”খতে লাগলাম 😦
লাইন সংখ্যা ৭০ এর কোঠা ছাড়ল ছোটখাটো কিছুএদিক সেদিক এডিট দিলাম
ফাইনালি যখন নিজে একবার পুরাডা পরলাম, নিজের চোখেই পানিআইসা পরলো :( তখন ডিসিশননিলাম, নাহ্, এই লেখা প্রতিযোগিতায় পাঠাইলে মা-রে ছোট করা হইবো প্রতিযোগিতা বাদ
আবার চিন্তা করলাম, আমার চোখেই পানি আইসা পরছে, মা তোঅবশ্যই কান্না কাটি করবো সো মা-রেও এখন দেখামু না একটা অকেশন আসুক তখন একটা সবাইরেস্পেশালি মা-রে একটা চমক দেওন যাইবো এইজন্য কাউরেইপড়তে দিলাম না আমি আড়াইটা বা তিনটার দিকে ঘুম গেলাম আর শেষ রাতে জন্মহওয়া আমার মস্তিস্ক-সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর-পরই প্যাড এর ভিতর চাপা পড়ল 😦
২০১০ এ একটা বিশেষ কারণে আমার সমস্ত স্থাবর-অস্থাবরকাগজ-পত্র scan করে ডিজিটাল করায় এই ছড়াটাও কম্পিউটারে চলে আসলো জুন মাসে এইটাGoogle Transliterate দিয়া খুব তাড়াতাড়ি কম্পোজ কইরা ফেললাম; এই লেখাটা যখনলেখতাছি, তখনো মা-য় ছড়া দেখেনাই ছয় বচ্ছর পাঠকেরমুখ না দেখা সন্তান আমার আইজ Internet এর মুখ দেখবো 🙂
ঠিক করছি, মা রেআইজ একটা প্রিন্ট করা কপি পাঠামু
— কেমনসুর @২০-জুন-২০১০
to.kmonsoor@gmail.com http://kmonsoor.blogspot.com/
কেউ যদি এইটা পইড়া নিজের মা রে দিতে চান, তবে এই লিঙ্ক থিকা PDF ডাউনলোডাইয়াপ্রিন্ট কইরা
দিতে পারেন

Newer Entries